কিছু কাজের বুদ্ধি দি

0
590
কিছু কাজের বুদ্ধি

কিছু কাজের বুদ্ধি। সবাই কে সময় দেওয়া বন্ধ করে দেন, সত্তি সত্তি বন্ধ করে দেন। আপনি যদি সবাই কে সময় দেন, তা হলে আপনি কখনই আপনার নিজের কাজ গুলো করতে পারবেন না। সবাই কে সময় দিতে হয় না বন্ধ করে দেন। মানুষকে না বলতে শেখেন, মানুষকে না বলতে পারাটা অনেক বড় একটা ব্যাপার। যে মানুষটা অন্য মানুষকে সম্মান করে না কখনই তার সাথে মিশবেন না। তার কাছ থেকে শেখার কোন কিছু নেই।

নাটক, সিনেমা, গান, মিউজিক আমরা কম বেশি সবাই দেখি শুনি, যেটা করি না সেটা হলো। এটা দেখার পর বা শোনার পর আমার যে অনুভুতিটা সেটা আমার মধ্যেই রেখে দি। এখন থেকে সেই অনুভুতিটা লিখে ফেলেন লিখে ফেছবুকে ছেড়ে দেন বন্ধুদের সাথে শেয়ার করেন। অনেক লাভ হবে, চিন্তা ভাব্না সুন্দর হবে, লেখার ইস্টাল সুন্দর হবে। একজন জ্ঞানি ব্যক্তির সাথে ২০ মিনিট কথা বলা যে কাজটা দেয় আপনি ২০ টা বই পড়েও সেটা শিখতে পারবেন না। এ জন্য যারা একটু জ্ঞানি বুদ্ধি মান তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করুন অনেক কিছু শেখা যায়। যে গুলো বই পড়ে শেখা সম্ভব না।

যাকে ভালবাসেন তাকে বই পড়া শেখান, কি ভাবে ধরেন আপনি কাউকে ভালবাসেন, অনেক ভালবাসে সে ব্যক্তি টা বই পরে না। তাকে একটা বই কিনে দেন বইয়ের দাম কিন্তু বেশি না ভাই। একটা ভালো বইয়ের দাম একটা কেটবেরির চাইতে কম। তাকে বই কিনে দেন, তাকে পড়তে বলেন আপনি জানেন সে বইটা পরবে না আপনি তো তাকে চেনেন। বইটা কিনে দেওয়ার দুই দিন পরে ফোন করে জিগ্গাসা করেন জানু জানু তোমাকে একটা বই কিনে দিছিলাম বইটা পড়ছিলা। সে তো পরবেনা, না পড়িনাই জানু তুমি এখনো পড়োনাই তুমি তো আমাকে একটুও ভালবাসো নাই, আমি একটা বই কিনে দিছি তুমি পড়তেছো না।

তুমি এমন কেন তাকে ইমোসোনালি ব্লাকমিল করেন, ইমোসোনালি ব্লাকমিল করে তাকে বই পড়ার অব্ভাস তৈরি করেন। যেই মানুষটা আপনাকে ভালবাসবে আপনাকে খুশি করার জন্য হলেও বই পড়বে। একটা সময় সেটা হ্যবিট হয়ে যাবে সেটা আপনার জন্যই ভালো। আপনার সন্তানের পিতা বা মাতা যদি পড়ুয়া হয় আপনার সন্তান টা ভালো হবে, ভালো ভাবে গড়ে উঠবে।

মাঝে মধ্যে নিজেকে ট্রিট দেন, নিজেকে নিয়ে রিক্সাই যান, ঘুরতে বের হন আপনার কেউ নেই ত কি হয়েছে আপনি নিজেকে নিয়ে ঘুরতে বের হন। রেস্টটুরেন্টে গিয়ে কাউকে নেওয়ার দরকার নাই আপনি একা একা খান। আপনাকে বই কিনে দেন, আপনাকে চকলেট কিনে দেন দেখবেন মণ অনেক খুশি থাকে মণকে ট্রিট দিলে হয় কি মণ আপনাকে অনেক কিছু দেই। মাঝে মধ্যে যে গানটা আপনার ভালো লাগে ওই গানটা গলা ছেরে গাইতে চেষ্টা করেন। কাউকে শোনানোর দরকার নাই হয়ত বা আপনার গলা ভালো না, কারে সামনে গাইলে সে আপনাকে টিটকারি মারবে, দরকার কি ভাই আপনি আপনার জন্য গান করেন।

দরকার হলে রুমের দরজা জানালা বন্ধ করে ফুল জোড়ে গান ছেড়ে দিয়ে নাচেন, কী আছে জীবনে। আপনারা করেছেন নি কখনো এই কাজটা, অনেক আনান্দ লাগে। সব সময় যেতার চেষ্টা করবেন না মাঝে মধ্যে হেরে যান। যখন আপনি হেরে যাবেন কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনি জিতে যাবেন।একটা উদাহরণ দি গাধার সাথে যুদ্ধ করে ১০০ বার জেতার চাইতে সিংহর সাথে যুদ্ধ করে হেরে যাওয়া অনেক ভালো। অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

যারা BCS দিবেন কথা গুলো পড়েন কাজে দিবে      ফেসবুকে অপদার্থের বন্ধু হওয়ার চাইতে জ্ঞানীর ফলোয়ার হওয়া ভালো

Leave a Reply